সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম

আমার সুন্দর প্রথম এলেন ছোট গল্প হয়ে, তারপর এলেন কবিতা হয়ে। তারপর এলেন গান, সুর, ছন্দ ও ভাব হয়ে। উপন্যাস, নাটক, লেখা (গদ্য) হয়েও মাঝে মাঝে এসেছিলেন।‘ধূমকেতু’, ‘লাঙল’, ‘গণবাণী’তে, তারপর এই ‘নবযুগে’ তাঁর শক্তি–সুন্দর প্রকাশ এসেছিল; আর তা এল রুদ্র–তেজ, বিপ্লবের, বিদ্রোহের বাণী হয়ে।[আমার–সুন্দর। দৈনিক নবযুগ ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪২] কবি নজরুল সাংবাদিকতায় গেলেন কেন তার […]

সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য

রবীন্দ্রনাথের বাংলা নাটকের ইংরাজি অনুবাদ, রবীন্দ্র-কৃত

গীতাঞ্জলির ইংরাজি অনুবাদকর্মের সাফল্যে উৎসাহিত রবীন্দ্রনাথ তাঁর একাধিক রচনার বিশেষ করে বাংলা নাটকের অনুবাদে হাত দেন। কাব্যনাট্য থেকে শুরু করে রূপক-সাংকেতিক নাটকের অনুবাদ তিনি করেন। কবি-কৃত নাটকের ইংরেজি রূপান্তরের ক্ষেত্রে তাঁর নিম্নোদ্ধৃত বাংলা নাটকগুলির কথা আমরা জানতে পারি— [১]    চিত্রাঙ্গদা-র (১৮৯২) অনুবাদ Chitra 1913 [২]    প্রকৃতির প্রতিশোধ-এর (১৮৮৫) অনুবাদ Sanyasi or The Ascetic 1916 [৩]   

রবীন্দ্রনাথের বাংলা নাটকের ইংরাজি অনুবাদ, রবীন্দ্র-কৃত Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য : প্রবাদ-প্রবচন

প্রাচীন সাহিত্যের প্রবাদ-প্রবচনের ব্যবহারের উল্লেখ করতে গিয়ে সুশীলকুমার দে জানিয়েছেন, প্রাচীন সাহিত্যের প্রবাদের যে যথেষ্ঠ প্রয়োগ রহিয়াছে, তাহার সযত্ন ও সবিস্তার আলোচনা না হইলে, এগুলির লোকপ্রিয়তা, ব্যবহারের পারম্পর্য ও প্রাচীন রূপ নির্ণয় করা যাইবে না। [বাংলাপ্রবাদ] ** প্রবাদের প্রাচীনতা নির্ণয় করতে গেলে এগুলির রূপ ও প্রয়োগের বিচিত্র রূপান্তর লক্ষ করা যায়। এব্যাপারে ১টি উদাহরণ উল্লিখিত হলো— অপণা মাংসেঁ হরিণা

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য : প্রবাদ-প্রবচন Read More »

মধ্য বাংলা সাহিত্য, লোকসংস্কৃতি লোকসাহিত্য

কাদম্বরী দেবীর উদ্দেশে রবীন্দ্রনাথের গ্রন্থোৎসর্গ

ঠাকুর পরিবারে জ্যোতিরিন্দ্রনাথের স্ত্রী কাদম্বরী দেবীর উদ্দেশে রবীন্দ্রনাথ কয়েকটি গ্রন্থ উৎসর্গ করেছেন। রবীন্দ্রজীবনে কাদম্বরী দেবীর ভূমিকা সম্পর্কে কোনো দ্বিমত নেই।  কাদম্বরী দেবীর উদ্দেশে যে গ্রন্থগুলি কবি উৎসর্গ করেছেন তা অধিকাংশই কবির প্রথমদিককার গ্রন্থ। তাঁর মৃত্যু রবি-কবির জীবনে গভীর রেখাপাত করেছিল। এখন আমরা দেখে  নিই গ্রন্থগুলির নাম এবং উৎসর্গিত গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের স্বীকৃতি। ১. ভগ্নহৃদয় (ক) সাময়িক-পত্রিকায়

কাদম্বরী দেবীর উদ্দেশে রবীন্দ্রনাথের গ্রন্থোৎসর্গ Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য

অভিনেতা রবীন্দ্রনাথ, সীতা দেবী

রবীন্দ্রনাথকে প্রথম অভিনয় করতে দেখি ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে মে মাসে। তাহার পর দীর্ঘ ত্রিশ বৎসর কাল নানা ভূমিকায় তাঁহার অভিনয় দেখিবার সৌভাগ্য হইয়াছিল। বেশীর ভাগই তিনি তাঁহার জীবনের পরিণত বয়সে রচিত নাটকগুলিতে অভিনয় করিতে নামিতেন। কখনও সন্ন্যাসী,  কখনও ঠাকুরদাদা, কখনও বা ধনঞ্জয় বৈরাগী বা আচার্য অদীনপুণ্য। পোশাক-পরিচ্ছদ সাধারণত যা পরিতেন, তাহার বেশী অদল-বদল হইত না, রঙ্গমঞ্চে

অভিনেতা রবীন্দ্রনাথ, সীতা দেবী Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য

তারাশঙ্করের লেখা পড়ে রবীন্দ্রনাথ কী জানিয়েছিলেন, চিঠি দেখুন

রবীন্দ্রনাথ সমকালীন লেখকদের রচনা শুধু পড়তেনই না, বিভিন্ন সময়ে নিজের অনুভূতিও জানাতেন চিঠি লিখে কিংবা সাক্ষাতে। সবসময়ই যে প্রশংসা করতেন তা নয়, মন্দ লাগলেও তা খোলাখুলি জানাতেন। এখানে রবীন্দ্রনাথ ও তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় উভয়েরই চিঠি উল্লিখিত হলো। [রবীন্দ্রনাথের লেখা চিঠি] ১. [শান্তিনিকেতন থেকে] লাভপুর, বীরভূম কল্যাণীয়েষু, তোমার ছোট গল্পের কতকগুলি আমার বিশেষ ভালো লেগেছে — দুএকটা

তারাশঙ্করের লেখা পড়ে রবীন্দ্রনাথ কী জানিয়েছিলেন, চিঠি দেখুন Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য

কুন্তলীন পুরস্কারের সূচি

  কুন্তলীন পুরস্কার সূচি —————————————————- প্রথম বর্ষ : ১৩০৩ [১৮৯৬ খ্রি.] ।। গল্প।।   পুরস্কার মূল্য (টাকায়) রচনার নাম রচনাকারের নাম ১ম ৪০ নিরুদ্দেশের কাহিনী নামহীন [জগদীশ্চন্দ্র বসু] ২য় ২০ পূজার বাজার দীনেন্দ্রকুমার রায় ৩য় ১০ লীলা সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায় বিশেষ পুরস্কার ১৫ রাজলক্ষ্মী মানকুমারী বসু একতাড়া চিঠি শ্রীঅ–   নিরুপমা কুলবালা দেবী ।। কবিতা ।।

কুন্তলীন পুরস্কারের সূচি Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য
বৈষ্ণব কবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচয়

বৈষ্ণব কবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচয়

বৈষ্ণব কবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ১. অনন্ত বৈষ্ণব পদকর্তাদের মধ্যে ‘অনন্ত’ নামে অন্ততঃ দুজন কবি ছিলেন। দুজনেই ছিলেন অদ্বৈত আচার্যের শিষ্য। একজন অনন্ত আচার্য। অন্যজন অনন্ত দাস। এঁদের মধ্যে অনন্ত দাসই শ্রেষ্ঠ। বাংলা ও ব্রজবুলি উভয় ভাষাতেই অনন্ত দাসের রচনা সুখপাঠ্য। ২. উদ্ধব দাস উদ্ধবদাসের প্রকৃত নাম কৃষ্ণকান্ত মজুমদার। টেঙা বৈদ্যপুর তাঁর নিবাসস্থল। ইনি ছিলেন শ্রীনিবাস আচার্যের প্রপৌত্র

বৈষ্ণব কবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় Read More »

মধ্য বাংলা সাহিত্য

ধর্মমঙ্গল কাব্যের চরিত্র পরিচিতি

নারী চরিত্র ১. রঞ্জাবতী : রঞ্জাবতী ধর্মমঙ্গল কাব্যের প্রধান নারী চরিত্র। বৃদ্ধ রাজা কর্ণসেনের সঙ্গে রঞ্জাবতীর বিবাহ হয়েছিল। রঞ্জাবতীর পতিভক্তি বা দেবভক্তি মধ্যযুগের আরো পাঁচটি নারীচরিত্রের সমতুল্য। পুত্র কামনায় রঞ্জাবতী কঠোর সাধনা করেছে। দেবতার বরে রঞ্জাবতীর গর্ভে লাউসেনের জন্ম হয়েছে। রঞ্জাবতী সবসময় পুত্র লাউসেনকে মাতুল মাহুদ্যার হাত থেকে অতি যত্নে বাঁচিয়ে রেখেছিল। ২. দুর্গা :

ধর্মমঙ্গল কাব্যের চরিত্র পরিচিতি Read More »

মধ্য বাংলা সাহিত্য
error: Content is protected !!
Scroll to Top