আধুনিক বাংলা সাহিত্য

নকশাল আন্দোলন ও বাংলা ছোটোগল্প, প্রীতম চক্রবর্তী

নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সমকালে ও পরবর্তীকালে বাংলা সাহিত্যে অনেক ছোটগল্প রচিত হয়েছে। কোনো আন্দোলনকে মাথায় রেখে লেখা গল্প অনেকসময় যথার্থ শিল্পসার্থক নাও হতে পারে। উদ্দেশ্যমূলকতা-প্রচারধর্মিতা গল্পের শিল্পরসকে ক্ষুন্ন করতে পারে কখনও কখনও। কিন্তু এতৎসত্ত্বেও নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে অনেক ভালো ছোটগল্প বাংলা সাহিত্য আমাদের উপহার দিয়েছে। ঐ বিশেষ প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরে অনেক শিল্পোত্তীর্ণ ভালো গল্প লিখে […]

নকশাল আন্দোলন ও বাংলা ছোটোগল্প, প্রীতম চক্রবর্তী Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য
শরৎচন্দ্র ও নাটক

শরৎচন্দ্র ও নাটক প্রসঙ্গ

শরৎচন্দ্র ও নাটক প্রসঙ্গ প্রথম পর্ব শরৎচন্দ্র ছেলেবেলায় গান-বাজনা, অভিনয় প্রভৃতি বিষয় খুব উৎসাহী ছিলেন। একদিকে যেমন ছিল তাঁর সুকণ্ঠ, তেমনি ছিল তাঁর অভিনয়-নৈপুণ্য। এই দিকের জীবনের পরিচয় স্বরূপ কিছু তথ্য দেওয়া হল –  শরৎচন্দ্রের বন্ধু সতীশচন্দ্র (ভাগলপুরের উকিল শিবচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র) “আদমপুর ক্লাব” নামে একটি ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন। এই ক্লাবের একটি ড্রামাটিক সেকশন ছিল

শরৎচন্দ্র ও নাটক প্রসঙ্গ Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য

বারোয়ারি উপন্যাস এবং শরৎচন্দ্র

বাংলা সাহিত্যে মাত্র চারখানি বারোয়ারি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে।  বিভিন্ন লেখকের লেখার সমবায়ে একটি পূর্ণ উপন্যাস ‘বারোয়ারি উপন্যাস’ নামে পরিচিত। এই চারখানি বারোয়ারি উপন্যাস হলো — ১] অষ্টমী ২] বারোয়ারি উপন্যাস  ৩] রসচক্র ৪] ভালমন্দ এই উপন্যাসগুলির মধ্যে “অষ্টমী‘ নামে বারোয়ারি উপন্যাস ছাড়া, অন্য সবগুলিতেই শরৎচন্দ্র অংশগ্রহণ করেছিলেন। ক। বারোয়ারি উপন্যাস—  প্রকাশকাল–বৈশাখ ১৩২৮, ইং ১৯২১। পৃষ্ঠাসংখ্যা-

বারোয়ারি উপন্যাস এবং শরৎচন্দ্র Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য

অভিনেতা শম্ভু মিত্র, সময়সারণিতে

শম্ভু মিত্রের নাটক অভিনয়ের তালিকা সাধারণ রঙ্গমঞ্চে নাটক অভিনীত চরিত্র অভিনয় সাল জীবন রঙ্গ অধ্যাপক নভেম্বর ১৯৪১ উড়ো চিঠি মার্চ ১৯৪২ সীতা শ্ত্রুঘ্ন/বশিষ্ট আলমগীর দিলীর খাঁ রীতিমত নাটক ডাক্তার গণনাট্য সংঘে ল্যাবরেটরি মে ১৯৪৩ জবানবন্দী পরান মণ্ডল নবান্ন দয়াল ও টাউট অক্টোবর ১৯৪৪ মুক্তধারা ১৯৪৬ মহিলা আত্মরক্ষা সমিতি রক্তকরবী রাজা ১৯৪৯ অশোক মজুমদার ও নাট্য সম্প্রদায়

অভিনেতা শম্ভু মিত্র, সময়সারণিতে Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য

নিরপরাধ ঘুম (শিকার) ও জীবনানন্দ, অপব্যাখ্যার নিরসন

‘শিকার‘ জীবনানন্দের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলির মধ্যে অন্যতম। এই কবিতায় ভোরের শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশে শহুরে হৃদয়হীন মানুষের নিক্ষিপ্ত গুলিতে বনের শোভা একটি হরিণের হত্যা এবং অনতিবিলম্বে তার খাদ্যে পরিণত হওয়ার নারকীয়, পাশবিক ঘটনাকে কবি সংহত আবেগ, সংক্ষিপ্ত ভাষায় বেঁধেছেন। এর মধ্যে দিয়ে আধুনিক মানুষের নৃশংস হৃদয়হীনতার দিকটিকে উদ্ভাসিত করার দিকেই কবির দৃষ্টি নিবদ্ধ। তা করতে গিয়ে কবিতার

নিরপরাধ ঘুম (শিকার) ও জীবনানন্দ, অপব্যাখ্যার নিরসন Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য, বিতর্ক

মনিয়া প্রসঙ্গ ও জীবনানন্দ, অপব্যাখ্যার নিরসন

“মনিয়া” ও জীবনানন্দ অর্থ সর্বদা নির্দিষ্ট থাকে না, বিশেষত কবির হাতে শব্দ তার প্রচল অর্থ হারিয়ে প্রায়শই নতুন অর্থ ধারণ করে। আর কবিতা এমনই এলাকা যেখানে প্রবেশ সাধারণের দুরধিগম্য। কবিতায় ব্যবহৃত শব্দ, অনুষঙ্গের তাৎপর্য ধরতে গেলে বুদ্ধি নয় — বোধ, প্রজ্ঞা এবং আবেগ লাগে। নয়তো অপব্যাখ্যার অন্ধকার পরিসর তৈরি হয়। এমন অপব্যাখ্যার অন্ধকার পরিসরে কবিতার

মনিয়া প্রসঙ্গ ও জীবনানন্দ, অপব্যাখ্যার নিরসন Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য, বিতর্ক
থার্ড থিয়েটারের অভিনয় পদ্ধতি

থার্ড থিয়েটারের অভিনয় পদ্ধতি

থার্ড থিয়েটারের অভিনয় পদ্ধতি চুম্বক : প্রসেনিয়ামের বাঁধামঞ্চ থেকে সরে এসে বাদলসরকার পরপর পনেরোটি নাটক অঙ্গনমঞ্চে অভিনয় করলেন তাঁর ‘শতাব্দী’ নাট্যদলকে নিয়ে। কলকাতার ক্যাথিড্রাল রোডে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস-এর তেতলার হলঘরে এবং কলেজ স্ট্রিটের থিওজফিক্যাল সোসাইটির দোতলার ছোট হলঘরে অঙ্গনমঞ্চের অভিনয়ের সময়ে সেখানে প্রসেনিয়াম থিয়েটারের কোনো উপকরণই রইল না৷ অভিনয়পদ্ধতি ১] ঘরের চারপ্রান্তেই দুই-তিন সারিতে

থার্ড থিয়েটারের অভিনয় পদ্ধতি Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য

শৌখিন নাট্যাভিনয়ে বাঙালি মনীষী [প্রথম ভাগ]

শৌখিন নাট্যাভিনয়ে বাঙালি মনীষী চুম্বক : শৌখিন নাটকাভিনয়  দ্বারকানাথ ঠাকুর-রামমোহন রায়  বিদ্যাসাগর-মধুসূদন-বঙ্কিমচন্দ্র  বাঙালি মনীষীদের অভিনয় ও পৃষ্টপোষকতা       সংস্কৃতির একটি দিক যেমন অভিনয়, চিত্ত-বিনোদনের একটি প্রকৃষ্ট উপকরণও তেমনি অভিনয়-দর্শন। তাই সাধারণ-অসাধারণ সব ব্যক্তিই অভিনয় দেখে আনন্দ পান। বাঙালি মনীষীদের মধ্যে অনেকেই শৌখিন নাট্যাভিনয় দেখতে ভালোবাসতেন। অভিনয়-শিল্পের প্রতি তাদের আন্তরিক মমতা এবং সহযোগিতা ছাড়া,

শৌখিন নাট্যাভিনয়ে বাঙালি মনীষী [প্রথম ভাগ] Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য

রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত রচনা ও স্বীকৃতির চিঠি

রবীন্দ্রপ্রসঙ্গ রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত রচনা কী এ নিয়ে বহু বিতর্ক ছিল। কিন্তু সেই বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছিলেন শনিবারের চিঠির সম্পাদক সজনীকান্ত দাস। সজনীকান্ত শুধু প্রথম প্রকাশিত রচনারই কথা বলেননি, সেইসঙ্গে বেনামীতে রচিত রবীন্দ্রনাথের বহু রচনার সন্ধান দিয়েছেন। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথের যে বহু ছদ্মনাম ছিল তারও সন্ধান দিয়েছেন। এইপ্রসঙ্গে বিস্মিত রবীন্দ্রনাথ সজনীকান্তকে চিঠি লিখে তাঁর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন

রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত রচনা ও স্বীকৃতির চিঠি Read More »

আধুনিক বাংলা সাহিত্য
error: Content is protected !!
Scroll to Top